উপজেলা ভূমি অফিস, সাঁথিয়া, পাবনা ।

নোটিস বোর্ড

    No result found!
All Notice
    দলিলমূলে মালিকানা লাভ করলে
  • ক) পূর্ববর্তী মালিকের নিকট হতে প্রাপ্ত দলিলের মূলকপির স্ক্যানকপি
  • খ) পূর্ববর্তী মালিকের নামে সৃজিত নামজারি খতিয়ান
  • গ) পূর্ববর্তী মালিকের কাছ থেকে হস্তান্তরিত দলিল যদি ০১.০৭.২০০৫ তারিখের পূ্র্বে হয় তবে বিএস জরিপের পর হতে সর্বশেষ দলিলদাতা পর্যন্ত যতগুলি দলিল সম্পাদন/হস্তান্তরিত হয়েছে সকলগুলির অন্ততঃ সত্যায়িত ফটোকপি
    ওয়ারিশমূল মালিকানা লাভ করলে
  • অনধিক তিন মাসের উর্ধ্বে ইস্যুকৃত ওয়ার্ড কাউন্সিল কর্তৃক ওয়ারিশন সনদ যাতে সকল ওয়ারিশ অন্তর্ভুক্ত থাকেন এবং তাতে স্মারক নম্বর উল্লেখ থাকতে হবে। উক্ত ওয়ারিশন সনদ এই মর্মে শর্তসাপেক্ষে ইস্যু গ্রহণযোগ্য হবে না যে- ‘উল্লিখিত ওয়ারিশন ব্যতিত অন্য কোন ওয়ারিশ থাকলে তার জন্য চেয়ারম্যান বা কাউন্সিলর দায়ী থাকবে না’। কারণ ওয়ার্ড কাউন্সিলর এর প্রদত্ত সার্টিফিকেট ব্যতিত ওয়ারিশমূলে নামজারি করা যায় না, বিধায় এটি শুদ্ধ সার্টিফিকেট হওয়া প্রয়োজন। এই ওয়ারিশন সনদের মূল কপির স্ক্যানকপি আপলোড করতে হবে
    হেবামূলে মালিকানা লাভ করলে
  • হেবার মূল দলিলের কপি স্ক্যানপূর্বক আপলোড এবং হেবাদানকারী ব্যক্তির নামে নামজারি/বিএস খতিয়ান থাকতে হব্। দখলের বিষয়টি এখানে গুরুত্বপূর্ণ নয়।
    আদালতের রায়ডিগ্রীমূলে মালিকানা লাভ করলে
  • ক) আদালতের আদেশের কপি, আর্জির কপি, সর্বশেষ আপীল দায়েরের তথ্যের মূল কপির স্ক্যানকপি দাখিল করতে হবে
  • খ) যার মালিকানাস্বত্ব থেকে জমি বিরুদ্ধে পক্ষ ডিগ্রী লাভ করেছেন, তাকে ঐ মামলায় বিবাদী করা হয়েছিল কিনা এবং মামলাটি একতরফা/দোরফাসূত্রে নিষ্পত্তি হয়েছে কিনা তাও জানালে ভাল হয়।
    বন্দোবস্তি ও অধিগ্রহনের ক্ষেত্রেঃ
  • ক) মালিকানাস্বত্ত ও দখলস্বত্ব বিষয়ে জেলা প্রশাসক হতে পাট্টা ও কবুলিয়তের মূল কপির (মুল কপির স্ক্যান কপির সংযুক্ত করতে হবে।
  • খ) সাথে যে খাস খতিয়ান হ’তে কর্তন হবে তার কপি দাখিল করতে হবে

বিশেষ দৃষ্টব্যঃ একমাত্র অপির্ত সম্পত্তি প্রত্যর্পণ (২য় সংশোধনী) আইনের আওতায় আবেদনের ক্ষেত্রে ভিপি ‘খ’ তালিকার খাজনা আগে দিতে হবে না, নামজারি করার পর খাজনা দিতে হবে। অন্যান্য পালনীয় বিষয়াদি ও আবশ্যিক কাগজপত্রঃ আবেদনকারী যে মূলেই মালিকানা লাভ করুন না কেন মালিকানার কাগজপত্রের সাথে সাথে আবশ্যিকভাবে নিম্নোল্লিখিত কাগজপত্রও সকল নামজারি ক্ষেত্রে দাখিল করতে হবেঃ

  • • সঠিকভাবে আবেদন ফরম পূরণ
  • • সকল সংযুক্তির মূল কপি স্ক্যান করে দেয়া (ফটোকপি গ্রহণযোগ্য হবে না)
  • • দাতার নামে/বা যার কাছ থেকে জমি কর্তন হবে সেই সৃজিত খতিয়ান সরবরাহ করা
  • • আবেদন ফরমে নিজস্ব মোবাইল নম্বর
  • • ভোটার আইডি/পাসপোর্টের কপি
  • • দখলীয় জমির স্কেচম্যাপ (কলমি নক্সা) [আমাদের ওয়েবসাইট থেকেই সেটি ডাইনলোড করে জমা দিতে পারেন]
  • • ভূমি উন্নয়ন করের দাখিলা (সর্বশেষ) এর মূল স্ক্যান কপি

অন্যান্য বিষয়ের জন্য সরাসরি এসি ল্যান্ডর সাথে ০১৭৩১-০৮০৮৮০ নম্বরে যোগাযোগ করা যাবে।

অনলাইনে আবেদন করার নিয়মাবলী

দলিলমূলে মালিকানা লাভ করলে

  • ক) পূর্ববর্তী মালিকের নিকট হতে প্রাপ্ত দলিলের মূলকপির স্ক্যানকপি
  • খ) পূর্ববর্তী মালিকের নামে সৃজিত নামজারি খতিয়ান
  • গ) পূর্ববর্তী মালিকের কাছ থেকে হস্তান্তরিত দলিল যদি ০১.০৭.২০০৫ তারিখের পূ্র্বে হয় তবে বিএস জরিপের পর হতে সর্বশেষ দলিলদাতা পর্যন্ত যতগুলি দলিল সম্পাদন/হস্তান্তরিত হয়েছে সকলগুলির অন্ততঃ সত্যায়িত ফটোকপি
    ওয়ারিশমূল মালিকানা লাভ করলে
  • অনধিক তিন মাসের উর্ধ্বে ইস্যুকৃত ওয়ার্ড কাউন্সিল কর্তৃক ওয়ারিশন সনদ যাতে সকল ওয়ারিশ অন্তর্ভুক্ত থাকেন এবং তাতে স্মারক নম্বর উল্লেখ থাকতে হবে। উক্ত ওয়ারিশন সনদ এই মর্মে শর্তসাপেক্ষে ইস্যু গ্রহণযোগ্য হবে না যে- ‘উল্লিখিত ওয়ারিশন ব্যতিত অন্য কোন ওয়ারিশ থাকলে তার জন্য চেয়ারম্যান বা কাউন্সিলর দায়ী থাকবে না’। কারণ ওয়ার্ড কাউন্সিলর এর প্রদত্ত সার্টিফিকেট ব্যতিত ওয়ারিশমূলে নামজারি করা যায় না, বিধায় এটি শুদ্ধ সার্টিফিকেট হওয়া প্রয়োজন। এই ওয়ারিশন সনদের মূল কপির স্ক্যানকপি আপলোড করতে হবে
    হেবামূলে মালিকানা লাভ করলে
  • হেবার মূল দলিলের কপি স্ক্যানপূর্বক আপলোড এবং হেবাদানকারী ব্যক্তির নামে নামজারি/বিএস খতিয়ান থাকতে হব্। দখলের বিষয়টি এখানে গুরুত্বপূর্ণ নয়।
    আদালতের রায়ডিগ্রীমূলে মালিকানা লাভ করলে
  • ক) আদালতের আদেশের কপি, আর্জির কপি, সর্বশেষ আপীল দায়েরের তথ্যের মূল কপির স্ক্যানকপি দাখিল করতে হবে
  • খ) যার মালিকানাস্বত্ব থেকে জমি বিরুদ্ধে পক্ষ ডিগ্রী লাভ করেছেন, তাকে ঐ মামলায় বিবাদী করা হয়েছিল কিনা এবং মামলাটি একতরফা/দোরফাসূত্রে নিষ্পত্তি হয়েছে কিনা তাও জানালে ভাল হয়।
    বন্দোবস্তি ও অধিগ্রহনের ক্ষেত্রেঃ
  • ক) মালিকানাস্বত্ত ও দখলস্বত্ব বিষয়ে জেলা প্রশাসক হতে পাট্টা ও কবুলিয়তের মূল কপির (মুল কপির স্ক্যান কপির সংযুক্ত করতে হবে।
  • খ) সাথে যে খাস খতিয়ান হ’তে কর্তন হবে তার কপি দাখিল করতে হবে

বিশেষ দৃষ্টব্যঃ একমাত্র অপির্ত সম্পত্তি প্রত্যর্পণ (২য় সংশোধনী) আইনের আওতায় আবেদনের ক্ষেত্রে ভিপি ‘খ’ তালিকার খাজনা আগে দিতে হবে না, নামজারি করার পর খাজনা দিতে হবে। অন্যান্য পালনীয় বিষয়াদি ও আবশ্যিক কাগজপত্রঃ আবেদনকারী যে মূলেই মালিকানা লাভ করুন না কেন মালিকানার কাগজপত্রের সাথে সাথে আবশ্যিকভাবে নিম্নোল্লিখিত কাগজপত্রও সকল নামজারি ক্ষেত্রে দাখিল করতে হবেঃ

  • সঠিকভাবে আবেদন ফরম পূরণ
  • সকল সংযুক্তির মূল কপি স্ক্যান করে দেয়া (ফটোকপি গ্রহণযোগ্য হবে না)
  • দাতার নামে/বা যার কাছ থেকে জমি কর্তন হবে সেই সৃজিত খতিয়ান সরবরাহ করা
  • আবেদন ফরমে নিজস্ব মোবাইল নম্বর
  • ভোটার আইডি/পাসপোর্টের কপি
  • দখলীয় জমির স্কেচম্যাপ (কলমি নক্সা) [আমাদের ওয়েবসাইট থেকেই সেটি ডাইনলোড করে জমা দিতে পারেন]
  • ভূমি উন্নয়ন করের দাখিলা (সর্বশেষ) এর মূল স্ক্যান কপি

অন্যান্য বিষয়ের জন্য সরাসরি এসি ল্যান্ডর সাথে ০১৭৩৩৩৩৪৩৬০ নম্বরে যোগাযোগ করা যাবে।